সোমবার, ০২ মার্চ ২০২৬, ১১:১১ পূর্বাহ্ন
রিপোর্ট আজকের বরিশাল:
নলছিটিতে দুই ইউনিয়নের সড়ক পথের মাঝখানের মানপাশা বাজারের সেতুটি পুণঃনির্মাণ বা সংস্কার করা হচ্ছে না দীর্ঘ দিন ধরে। ফলে ভারী যানবহন চলাচল করতে না পারায় জনদূর্ভোগের যেন শেষ নেই।ঝালকাঠির এমপি আমির হোসেন আমু সেতুটি নির্মাণে কর্তৃপক্ষকে উদ্যোগ নিতে বললেও আজ পর্যন্ত কোনো উদ্যোগ নেওয়া হয়নি বেল জানাগেছে। আগে এ সেতু পার হয়ে সিএনজি, অটো রিকশা ও গাড়ি চলাচল করলেও এর ভগ্নদশার কারণে তা বন্ধ। শুধু ভাড়ায় চালিত মোটরসাইকেল চলাচল করছে ঝুঁকি নিয়ে। ইউপি চেয়ারম্যান জনস্বার্থে নিজ খরচে বাইপাস সড়ক নির্মাণ করলেও এটি নির্মাণে আশ্বাস ছাড়া কিছুই দেখা যাচ্ছে না।জেলার নলছিটি উপজেলার ৬নং কুশাঙ্গল ইউনিয়নের দক্ষিণ দিকের শেষ প্রান্ত এবং ৮ নং সিদ্ধকাঠি ইউনিয়নের উত্তর দিকের শেষ প্রান্তের মাঝে মানপাশা বাজার সংলগ্ন সেতুটি অবস্থিত। ১৯৮৮ সনে সেতুটি নির্মানের পর আজ পর্যন্ত এটি সংস্কার বা পূণনির্মানে কোনো উদ্যোগ নেওয়া হয়নি।নলছিটি থেকে এই সড়ক পাড় হয়ে মোল্লার হাটের খেঁজুরতলা হয়ে বরগুনা যাতায়াত করা হয়। এছাড়া নলছিটি-বরিশাল, নিয়ামতি, নাচনমহল, সুবিদপুর, রানাপাশা, বাকেরগঞ্জে সড়ক পথে যাতায়াতের জন্য এই সেতুটি গুরুত্বপূর্ণ।এছাড়া নলছিটি উপজেলার কুশাঙ্গল ইউনিয়নের মানপাশা একটি বড় বাজার। যে বাজারে ছোট বড় প্রায় সাড়ে ৩ শ দোকান ও ব্যবসা প্রতিষ্ঠান রয়েছে। এসব দোকানের মালামাল আনার জন্য সেতুটি এখন বড় বাঁধা হয়ে দাঁড়িয়েছে।এ প্রসঙ্গে কুষাঙ্গল ইউনিয়নের চেয়ারম্যান আলমগীর হোসেন সিকদার বলেন, ‘আমাদের এমপি আমির হোসেন আমু সেতুটি দ্রুত নির্মানে এলজিইডি বিভাগকে নির্দেশনা দিলেও তা কার্যকর হচ্ছে না। গুরুত্বপূর্ণ এ সড়কে সেতুটির বেহাল দশা দীর্ঘ দিন ধরে। এটি নির্মাণের জন্য আমি ঝালকাঠি এলজিইডি বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলীর সঙ্গে কথা বলেছি। তিনি আমাকে একটি বাইপাশ সড়ক নির্মানের পরামর্শ দেন। তারপর আমি ১ লাখ ৭০ হাজার টাকা ব্যায়ে তা নির্মাণ করেছি আরো ৩ মাস আগে। নির্বাহী প্রকৌশলী বলেছে এটি নির্মাণের ফান্ড এলে সেখান থেকে আমার এ খরচ পুষিয়ে দেবে। দ্রুত সেতুটি নির্মাণের উদ্যোগ না নিলে এসব রুটে ভারী যনবহন চলাচল শুরু হবে না। যদিও নির্বাহী প্রকৌশলী আশ্বাস দিচ্ছেন শিগগিরই বরাদ্দ এলে কাজ শুরু হবে।’এ প্রসঙ্গে এলজিইডি নির্বাহী প্রকৌশলী মো. রুহুল আমিন বলেন, ‘সেতুটির বেহাল দশা এটা অস্বীকার করার কোন উপায় নেই। জাইকা প্রকল্পে সেতুটি অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। পাশাপাশি কনসালটেন্টকে এর ডিজাইন নির্মানের নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। ডিজাইনের পর বরাদ্দ পেলেই কাজ শুরু হবে।’